Holden, De Caires fire Middlesex to first win of season
ভাইটালিটি ব্লাস্টে প্রথম জয় মিডলসেক্সের
অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটল মিডলসেক্সের। চলতি ভাইটালিটি ব্লাস্ট মৌসুমে নিজেদের প্রথম দুটি ম্যাচে হারের গ্লানি মোছার পর তৃতীয় ম্যাচে এসে দুর্দান্ত জয়ের দেখা পেল তারা। হোভের মাঠে সাসেক্সকে ৩১ রানে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের লড়াইয়ে তারা কিছুটা স্বস্তি ফিরে পেল। এই জয়ে সাসেক্সকে পেছনে ফেলে টেবিলের তলানি থেকে উপরে উঠে এল মিডলসেক্স।
ম্যাক্স হোল্ডেন ও জশ ডি কেয়ার্সের ব্যাট হাতে তাণ্ডব
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মিডলসেক্সের ব্যাটিং লাইনআপ শুরু থেকেই ছিল আক্রমণাত্মক। ইনিংসের শুরুটা বেশ ভালো করেন ম্যাক্স হোল্ডেন। ৪১ বলে ৭৭ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ছিল পাঁচটি ছক্কা ও ছয়টি বাউন্ডারি। টাইমাল মিলসের গতির তোপে এডাম রসিংটন দ্রুত সাজঘরে ফিরলেও, হাল ধরেন হোল্ডেন।
তিনের সাথে হোল্ডেনের জুটি গড়ার সঙ্গী ছিলেন জশ ডি কেয়ার্স। ক্যারিয়ারের প্রথম টি-টোয়েন্টি হাফসেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পাশাপাশি তিনি অপরাজিত থাকেন ৪৪ বলে ৮০ রানের এক মারকুটে ইনিংস খেলে। তার ব্যাট থেকে আসে সাতটি বাউন্ডারি এবং পাঁচটি ছক্কা। শেষ দিকে অধিনায়ক লিউস ডু প্লয় এবং ডি কেয়ার্সের কার্যকর ব্যাটিংয়ে মিডলসেক্স স্কোরবোর্ডে ২১২ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দাঁড় করায়।
সাসেক্সের বোলিং ব্যর্থতা
সাসেক্সের বোলিং আক্রমণ এই ম্যাচে কিছুটা ছন্নছাড়া ছিল। অলি রবিনসন ও হেনরি ক্রোকম্বের অনুপস্থিতি স্পষ্টভাবেই টের পাওয়া গেছে। টাইমাল মিলস ব্যক্তিগতভাবে তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও, ড্যানি ব্রিগস বাদে অন্য বোলাররা ছিলেন বেশ খরুচে। ব্রিগস তার চার ওভারে মাত্র ৩৩ রান দিয়ে কিছুটা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন।
সাসেক্সের রান তাড়ার গল্প
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সাসেক্সের শুরুটা ছিল নাটকীয়। টম ক্লার্ক ইনজুরি নিয়ে মাঠে নেমেও মাত্র ১৩ বলে ৩১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। তবে মিডলসেক্সের বোলার টম হেলম তাকে ক্যাচ আউট করলে সাসেক্স প্রাথমিক ধাক্কা খায়। ড্যান হিউজ এবং জন সিম্পসন দ্রুত আউট হয়ে গেলে সাসেক্স চাপের মুখে পড়ে।
জেমস কোলসের ২৭ বলে ৩৩ রান এবং টম আলসপের ২৪ বলে ৪৩ রানের ইনিংস সাসেক্সকে লড়াইয়ে রেখেছিল। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের কারণে শেষ পর্যন্ত তারা ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে। বিশেষ করে ইনিংসের শেষভাগে মিডলসেক্সের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে সাসেক্সের লোয়ার অর্ডার ভেঙে পড়ে। শেষ সাতটি উইকেট তারা মাত্র ৫০ রানের বিনিময়ে হারায়।
ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট
সাসেক্সের ইনিংসের মাঝামাঝি সময়ে জশ ডি কেয়ার্সের স্পিন আক্রমণ বড় ভূমিকা রাখে। আলসপকে আউট করে তিনি জুটি ভাঙেন এবং এরপরই সাসেক্সের ব্যাটিং লাইনআপের মেরুদণ্ড ভেঙে যায়। ১৮২ রানে অলআউট হয়ে সাসেক্স ম্যাচটি ৩১ রানে হেরে যায়। টম হেলম এই ম্যাচে ৩টি উইকেট তুলে নিয়ে সাসেক্সের জয়ের আশা অনেকটাই কমিয়ে দেন। এই জয় মিডলসেক্সের জন্য যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়াবে, তেমনি আসরের বাকি ম্যাচগুলোতেও তাদের আরও সতর্ক থাকতে হবে।
