Tribe, Mayes notch centuries but South Africa A hone in on victory
ম্যাচের প্রেক্ষাপট ও পারফরম্যান্স
আরুন্ডেলের মনোরম পরিবেশে আয়োজিত এই ম্যাচে ইংল্যান্ড লায়ন্স ও দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের মধ্যে লড়াই বেশ জমে উঠেছে। যদিও Tribe, Mayes notch centuries but South Africa A hone in on victory অর্জনের পথে অনেকটাই এগিয়ে আছে। ম্যাচের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ড লায়ন্সের ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তারা দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল।
আসা ট্রাইব ও বেন মেসের অসাধারণ সেঞ্চুরি
ইংল্যান্ড লায়ন্সের তরুণ তারকা আসা ট্রাইব এবং ১৮ বছর বয়সী বেন মেস তাদের ব্যাটিং নৈপুণ্যে দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে এনেছিলেন। ট্রাইব তার সহজাত ধ্রুপদী ব্যাটিং প্রদর্শন করে ১৩৫ রান সংগ্রহ করেন। অন্যদিকে, বেন মেস তার ক্যারিয়ারের প্রথম প্রথম-শ্রেণীর সেঞ্চুরি তুলে নেন। মেস এর আগে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১৯১ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে সকলের নজর কেড়েছিলেন। তার এই ধারাবাহিকতা এই ম্যাচেও বজায় ছিল।
দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং তোপ
ম্যাচের এক পর্যায়ে ইংল্যান্ড লায়ন্স ৩২২ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল। কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় বিপর্যয়। ডেন প্যাটারসন এবং এনকোবানি মোকোেনার দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে ইংল্যান্ডের শেষ ছয়টি উইকেট মাত্র ৬৫ রানের ব্যবধানে পড়ে যায়। দক্ষিণ আফ্রিকার পেসাররা প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও পুরো দিন ধরে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছেন, যা তাদের জয়ের পথ প্রশস্ত করেছে।
জয় থেকে কতটা দূরে দক্ষিণ আফ্রিকা এ?
ইংল্যান্ড লায়ন্স তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৮৭ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের সামনে ২১৪ রানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের শুরুটা খুব একটা ভালো না হলেও, জর্ডান হারম্যান এবং লেসেগো সেনোকোয়ানের অপরাজিত জুটি ম্যাচটিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। দিন শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১২২ রান। জয়ের জন্য তাদের এখন প্রয়োজন মাত্র ৯২ রান।
ম্যাচের সারসংক্ষেপ ও সম্ভাবনা
- প্রথম ইনিংস: দক্ষিণ আফ্রিকা এ ৩৩১ (অ্যাকারম্যান ১৭৩), ইংল্যান্ড লায়ন্স ১৫৭।
- দ্বিতীয় ইনিংস: ইংল্যান্ড লায়ন্স ৩৮৭ (ট্রাইব ১৩৫, মেস ১০৫), দক্ষিণ আফ্রিকা এ ১২২/১।
- বর্তমান অবস্থা: জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের প্রয়োজন ৯২ রান।
ম্যাচের পরবর্তী দিনে ইংল্যান্ড লায়ন্স বোলাররা যদি দ্রুত উইকেট নিতে পারে, তবেই তারা এই পরাজয় থেকে বাঁচতে পারবে। তবে এখন পর্যন্ত যে পরিসংখ্যান দেখা যাচ্ছে, তাতে দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের জয়ের পাল্লাই ভারি। লেসেগো সেনোকোয়ানের অর্ধশতক তাদের আত্মবিশ্বাসকে অনেক উঁচুতে নিয়ে গেছে। দর্শকরা এখন কেবল অপেক্ষা করছে শেষ দিনের রোমাঞ্চকর লড়াই দেখার জন্য।
ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য এই ম্যাচটি সত্যিই উপভোগ্য ছিল, কারণ এখানে ব্যাটারদের ধৈর্য এবং বোলারদের তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তার দারুণ এক লড়াই দেখা গেছে। বিশেষ করে আসা ট্রাইব ও বেন মেসের সেঞ্চুরিগুলো দীর্ঘ সময় ক্রিকেট অনুরাগী মনে রাখার মতো একটি ইনিংস হিসেবে গণ্য হবে। এখন দেখার বিষয়, শেষ দিনে দক্ষিণ আফ্রিকা এ দল কি খুব সহজেই লক্ষ্যমাত্রা স্পর্শ করতে পারবে, নাকি ইংল্যান্ড লায়ন্স কোনো মিরাকল ঘটিয়ে ম্যাচটি নিজেদের করে নেবে?
