McCullum ‘hopeful’ of Archer’s availability for second NZ Test
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের দিকে নজর
ইংল্যান্ড দলের হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালাম জানিয়েছেন যে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের জন্য জোফরা আর্চারের দলে ফেরার বিষয়ে তারা বেশ আশাবাদী। আইপিএলের ব্যস্ত সূচি শেষে আর্চার বর্তমানে বার্বাডোজে তার ফিটনেস ও বোলিং ওয়ার্কলোড নিয়ে কাজ করছেন। লর্ডসে প্রথম টেস্টে দলের জয়ের পর ম্যাককালাম ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, আর্চারের ম্যাচ ফিটনেস নিশ্চিত হলে তাকে দলের পরিকল্পনায় রাখা হবে।
আর্চারের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা
ম্যাককালামের মতে, আর্চার পুরোপুরি তাদের ওপর আস্থাশীল এবং দলের দেওয়া পরিকল্পনা মেনেই তিনি এগোচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি দ্বিতীয় টেস্টের জন্য আর্চারকে পাবো। এরপর পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। জফের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে, সে সবসময়ই প্রত্যাশা অনুযায়ী নিজেকে প্রস্তুত করে তোলে।’
দ্রুতগতির বোলারের বিশাল ভাণ্ডার
ইংল্যান্ড এখন কেবল একজন বোলারের ওপর নির্ভরশীল থাকতে চায় না। ম্যাককালামের লক্ষ্য হলো এমন এক ‘ব্যাটারি অফ ফাস্ট বোলার’ তৈরি করা, যারা বিভিন্ন কন্ডিশনে কার্যকর হতে পারবে। লর্ডস টেস্টের সাফল্য এবং গাস অ্যাটকিনসন, অলি রবিনসন ও জশ টাংয়ের পারফরম্যান্স দলের গভীরতা প্রমাণ করেছে।
কোচ আরও যোগ করেন, ‘আমাদের কন্ডিশন অনুযায়ী সঠিক খেলোয়াড় বেছে নিতে হবে। সবসময় যে সিদ্ধান্ত সঠিক হবে তা নয়, তবে জয় পেতে হলে বিভিন্ন কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে সক্ষম বোলারদের হাতে রাখা জরুরি।’
ভবিষ্যৎ প্রতিভা ও কাউন্টি ক্রিকেটের ভূমিকা
ইংল্যান্ড তাদের ফাস্ট বোলিং বিভাগে তরুণ প্রতিভা খুঁজে বের করার ওপর জোর দিচ্ছে। সনি বেকার, ম্যাথিউ ফিশার, এবং ব্রাইডন কার্সদের মতো খেলোয়াড়রা মূল দলের রাডারে রয়েছেন। কাউন্টি সিস্টেম এবং লায়ন্স দলের মাধ্যমে উঠে আসা তরুণদের মধ্যে হেনরি ক্রোকম্ব, নাভ শর্মা এবং এডি জ্যাকের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ম্যাককালাম বিশ্বাস করেন, ভবিষ্যতে এই তরুণরাই ইংল্যান্ড ক্রিকেটের সম্পদ হয়ে উঠবেন।
অলি রবিনসনের প্রত্যাবর্তন
লর্ডস টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচ সেরা হওয়া অলি রবিনসনকে নিয়ে বেশ আশাবাদী টিম ম্যানেজমেন্ট। রবিনসন তার ক্যারিয়ার সেরা ৭ উইকেট তুলে নিয়েছেন প্রথম টেস্টে। অধিনায়ক বেন স্টোকস রবিনসনের প্রশংসা করে বলেন, ‘তার জন্য এটি সবেমাত্র শুরু। সামনের ম্যাচগুলোতেও তাকে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। রবিনসন যত বেশি ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে জড়াবে, দলের জন্য ততই মঙ্গল।’
ম্যাককালাম মনে করেন লর্ডসের পিচ রবিনসনের জন্য আদর্শ ছিল, তবে অন্য কন্ডিশনে তাকে আরও বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। সেখানে তার লাইন ও লেংথের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখাই হবে মূল কাজ।
উপসংহার
নিউজিল্যান্ড সিরিজের বাকি ম্যাচগুলোতে ইংল্যান্ডের বোলিং লাইনআপ কেমন হবে, তা দেখার অপেক্ষায় ক্রিকেট বিশ্ব। আর্চারের প্রত্যাবর্তন দলের শক্তিকে আরও বাড়িয়ে দেবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে ম্যাককালামের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনায় এটা স্পষ্ট যে, ইংল্যান্ড এখন কেবল বর্তমান নয়, ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী ফাস্ট বোলিং ইউনিট তৈরিতে বদ্ধপরিকর।
