Villiers, Johnson star for Durham as Essex fall short: দুর্দান্ত জয় ডারহামের
ডুরহামের দুর্দান্ত জয়: ভিলিয়ার্স ও জনসনের দাপট
মেট্রো ব্যাংক ওয়ান-ডে কাপের সাম্প্রতিক লড়াইয়ে ডারহাম আবারও প্রমাণ করল কেন তারা এই টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে বিবেচিত। এসেক্সের বিপক্ষে ৪৬ রানের এক দাপুটে জয় তুলে নিয়ে তারা টানা তৃতীয়বারের মতো মাঠ ছাড়ল বিজয়ী হিসেবে। ম্যাচে বল হাতে ট্রুডি জনসন এবং ব্যাট হাতে ম্যাডি ভিলিয়ার্স ছিলেন উজ্জ্বল নক্ষত্র। Villiers, Johnson star for Durham as Essex fall short—এই সত্যটিই ম্যাচ শেষে স্কোরবোর্ডে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
ব্যাটিংয়ের ভিত্তি গড়ে দিলেন ভিলিয়ার্স ও আর্মিটেজ
টস জিতে ডারহামের অধিনায়ক হলি আর্মিটেজ প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। ডারহামের ব্যাটাররা শুরু থেকেই এসেক্সের বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। বিশেষ করে মিয়া রজার্স এবং আর্মিটেজ ইনিংসের শুরুর দিকে বেশ সাবলীল ছিলেন। যদিও সোফিয়া স্মেল তার লেগস্পিন দিয়ে ডারহামের রানের গতি কিছুটা কমিয়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু ম্যাডি ভিলিয়ার্সের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং পুরো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
ম্যাডি ভিলিয়ার্স ৭০ বলে ৭৬ রান এবং আর্মিটেজ ৭৮ বলে ৬৯ রানের এক চমৎকার পার্টনারশিপ গড়েন। তাদের দু’জনের এই জুটিতে ভর করেই ডারহাম ১৯৯ রানে দুই উইকেট হারিয়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে চলে আসে। যদিও পরবর্তীতে সোফিয়া স্মেলের বোলিং তোপে ডারহামের মিডল অর্ডার কিছুটা ধুঁকছিল এবং ৬ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৫৬ রান যোগ করতে পেরেছিল, তবুও শেষ দিকে এমিলি উইন্ডসর ও ট্রুডি জনসনের ছোট অথচ কার্যকর ইনিংস ডারহামকে ২৯১ রানের লড়াকু অবস্থানে পৌঁছে দেয়।
বল হাতে ট্রুডি জনসনের বিধ্বংসী রূপ
২৯২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামা এসেক্সকে শুরু থেকেই চাপে ফেলে দেন ১৯ বছর বয়সী তরুণী পেসার ট্রুডি জনসন। তার বোলিং তোপ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় এসেক্সের টপ অর্ডারকে। পাওয়ারপ্লে চলাকালীনই তিনি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে এসেক্সের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। বিশেষ করে পরপর দুই বলে দুই উইকেট শিকার করে তিনি খেলার নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ডারহামের হাতে এনে দেন। জনসনের বোলিং ফিগার ছিল ৩/২৮, যা এসেক্সকে লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক দূরে ঠেলে দেয়।
এসেক্সের লড়াই এবং ব্যর্থতা
এসেক্সের হয়ে ফ্লো মিলার এবং ন্যান্সি হারম্যান ভালো লড়াই করার চেষ্টা করেছিলেন। হারম্যান তো ক্যারিয়ার সেরা ৭২ রান করে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, কিন্তু ডারহামের সুশৃঙ্খল বোলিং ও ফিল্ডিংয়ের সামনে এসেক্সের রানের গতি কখনোই খুব একটা সন্তোষজনক ছিল না। আর্মিটেজ তার বোলারদের খুব নিখুঁতভাবে ব্যবহার করেছেন, যার ফলে এসেক্সের ব্যাটাররা দীর্ঘ সময় কোনো বাউন্ডারি মারার সুযোগ পাননি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত লক্ষ্য থেকে ৪৭ রান দূরেই থামতে হয় এসেক্সকে।
সারসংক্ষেপ
ডারহামের এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাসকে পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য আরও বাড়িয়ে দিল। বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে ভিলিয়ার্স এবং বোলিংয়ে জনসনের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে, এসেক্সকে এখন তাদের ভুলগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে, বিশেষ করে টপ অর্ডারের ব্যর্থতা তাদের এই ম্যাচে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে দিয়েছিল। মেট্রো ব্যাংক ওয়ান-ডে কাপের বাকি ম্যাচগুলোতে ডারহাম কি তাদের এই জয়ের ধারা ধরে রাখতে পারবে? উত্তর পেতে আমাদের অপেক্ষায় থাকতে হবে পরবর্তী রাউন্ডের লড়াই পর্যন্ত।
